বিমানবন্দর এলাকায় ২০০ গ্রাম স্বর্ণ ছিনতাই মামলায় ছাত্রদল-বিএনপির ৩ নেতা গ্রেফতার
প্রকাশ: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১১:০৪ পিএম
ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকা থেকে প্রবাসীর পাঠানো ২০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার ছিনতাইয়ের মামলায় ছাত্রদলের দুই নেতা ও বিএনপির এক নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, বিমানবন্দর থেকে স্বর্ণ নিয়ে ফেরার পথে দুই ব্যক্তিকে মারধর করে অলংকারগুলো ছিনিয়ে নেওয়া হয়।

ভেরিক্সা নিউজ
নিজস্ব প্রতিনিধি
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকায় প্রবাসীর পাঠানো ২০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার ছিনতাইয়ের মামলায় ছাত্রদল ও বিএনপির তিন নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সভাপতি রিপন, সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন শান্ত এবং বিমানবন্দর সাংগঠনিক ইউনিট বিএনপির সভাপতি আব্দুর রউফ।
পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার রাত এবং রোববার সন্ধ্যায় পৃথক অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে আরও এক থেকে দুই ব্যক্তিকে খুঁজছে পুলিশ।
গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢাকা মহানগর পুলিশের উত্তরা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মির্জা তারেক বেগ জানিয়েছেন, এক প্রবাসীর ভাইয়ের করা মামলায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য জড়িতদের ধরতেও অভিযান চলছে।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, ২৯ আগস্ট মো. সুমন নামে এক ব্যক্তি বিমানবন্দর থানায় মামলা করেন।
এজাহারে বিমানবন্দর সাংগঠনিক ইউনিট বিএনপির সভাপতি আব্দুর রউফকে এক নম্বর, বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সভাপতি রিপনকে দুই নম্বর এবং একই থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন শান্তকে তিন নম্বর আসামি করা হয়েছে।
এছাড়া বিমানবন্দর সাংগঠনিক ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রুবেলকে চার নম্বর আসামি করা হয়েছে বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।
বাদীর ভাষ্য অনুযায়ী, তার বড় ভাই কাউসার মালয়েশিয়ায় প্রবাসী। বোনের বিয়ে ও পারিবারিক ব্যবহারের জন্য তিনি মালয়েশিয়া থেকে ২০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার দেশে পাঠান।
এজাহারে বলা হয়েছে, ২৮ আগস্ট রাত ৮টার দিকে সুমন ও তার বন্ধু রোহান চৌধুরী হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কাউসারের পরিচিত এক ব্যক্তির কাছ থেকে স্বর্ণালংকার সংগ্রহ করেন।
এরপর তারা একটি ভাড়া করা গাড়িতে ওঠেন।
মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, রাত প্রায় ৮টা ৫ মিনিটে বিমানবন্দর থানাধীন ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বলাকা ভবনের বিপরীত পাশে তাদের গাড়ি থামানো হয়।
বাদীর দাবি, এ সময় আসামিরা তাদের আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত এবং তাদের কাছে বোমা রয়েছে—এমন কথা বলে ভয়ভীতি দেখায় ও মারধর শুরু করে।
একপর্যায়ে তাদের কাছ থেকে ২০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার নিয়ে যাওয়া হয় বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।
পুলিশ বলছে, মামলার অভিযোগের ভিত্তিতে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে অন্য কারও সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, তা তদন্ত করা হচ্ছে।
পলাতক অন্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ফটো গ্যালারি

ভেরিক্সা নিউজ ফলো করুন
সবার আগে খবর পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেল ফলো করুন।
ফেসবুক পেজের সর্বশেষ পোস্ট — স্ক্রল করে দেখুন। নতুন পোস্ট দিলে এখানে নিজে থেকেই আসবে।






