সম্পাদকীয় নীতিমালা
কীভাবে আমরা খবর সংগ্রহ করি, যাচাই করি, প্রকাশ করি এবং ভুল হলে সংশোধন করি।
১. আমাদের অঙ্গীকার
ভেরিক্সা নিউজ স্বাধীন সাংবাদিকতায় বিশ্বাস করে। আমাদের প্রতিটি প্রতিবেদনের লক্ষ্য একটি — পাঠককে যাচাই করা, নির্ভুল ও প্রাসঙ্গিক তথ্য দেওয়া। রাজনৈতিক, ব্যবসায়িক বা ব্যক্তিগত কোনো স্বার্থ আমাদের সংবাদ নির্বাচনে প্রভাব ফেলে না।
২. তথ্য যাচাই ও সূত্র
প্রকাশের আগে প্রতিটি স্পর্শকাতর তথ্য অন্তত দুটি স্বতন্ত্র সূত্রে যাচাই করা হয়। সরকারি নথি, আদালতের আদেশ, প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞপ্তি বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সরাসরি বক্তব্যকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্র কেবল তখনই ব্যবহার করা হয় যখন তথ্যটি জনস্বার্থে জরুরি এবং সূত্রের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে থাকে। সূত্রের পরিচয় আমরা কোনো অবস্থাতেই প্রকাশ করি না।
অন্য সংবাদমাধ্যম বা সংবাদ সংস্থার তথ্য ব্যবহার করলে প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে সেই উৎসের নাম উল্লেখ করা হয়।
৩. বাইলাইন ও দায়িত্ব
মাঠপর্যায়ে সংগ্রহ করা প্রতিবেদনে প্রতিবেদকের ছবি, নাম, পদবি ও কর্মস্থল খবরের শুরুতেই দেওয়া হয়; নামের উপর ক্লিক করে তাঁর বৃত্তান্ত ও অন্য প্রতিবেদন দেখা যায়। ডেস্কে তৈরি সংকলিত খবরের দায় সম্পাদকীয় দলের।
প্রকাশিত প্রতিটি খবরের চূড়ান্ত দায়িত্ব বর্তায় সম্পাদকীয় বিভাগের ওপর।
৪. সংশোধনী নীতি
ভুল ধরা পড়লে আমরা তা লুকাই না — দ্রুত সংশোধন করি এবং প্রয়োজনে খবরের নিচে সংশোধনী উল্লেখ করি। গুরুতর ভুলের ক্ষেত্রে ক্ষমা প্রকাশ করা হয়।
কোনো তথ্য ভুল মনে হলে আমাদের জানান: info@verixa-news.com — অথবা যোগাযোগ পাতার ফর্ম ব্যবহার করুন। আমরা সাধারণত ৭২ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর দিই।
৫. স্বার্থের সংঘাত ও বিজ্ঞাপন
সম্পাদকীয় সিদ্ধান্ত বিজ্ঞাপনদাতা বা পৃষ্ঠপোষকের প্রভাবমুক্ত। বিজ্ঞাপন ও স্পনসর করা কনটেন্ট আলাদাভাবে চিহ্নিত থাকে।
কোনো সাংবাদিক নিজের আর্থিক বা পারিবারিক স্বার্থ জড়িত বিষয়ে প্রতিবেদন করেন না।
৬. ছবি, ভিডিও ও এআই
ছবি ও ভিডিওর উৎস উল্লেখ করা হয়; ফাইল ছবি হলে ক্যাপশনে তা লেখা থাকে। ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কহীন ছবি বিভ্রান্তিকরভাবে ব্যবহার করা হয় না।
অনুবাদ, শিরোনাম প্রস্তাব বা ছবি সম্পাদনার মতো কাজে আমরা প্রযুক্তি (এআই) সহায়তা নিতে পারি, তবে প্রকাশের আগে প্রতিটি শব্দ মানুষ সম্পাদক যাচাই করেন। এআই কখনোই স্বাধীনভাবে খবর প্রকাশ করে না।
৭. গোপনীয়তা ও শিশু-সংবেদনশীলতা
ভুক্তভোগী, শিশু ও যৌন নিপীড়নের শিকার ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করা হয় না। মানসিক স্বাস্থ্য ও আত্মহত্যা সংক্রান্ত খবরে সতর্ক ভাষা ব্যবহার করা হয়।
আমাদের সাংবাদিকদের বৃত্তান্ত দেখুন সম্পাদকীয় দল পাতায়।
