মানববন্ধনে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান, সিরাজগঞ্জের বিএনপি নেতার কাছে ব্যাখ্যা চাইল দল
প্রকাশ: ২৮ আগস্ট ২০২৬, ০৬:৫৫ এএম
একটি মানববন্ধনে বক্তব্য শেষ করার সময় দেওয়া দুটি স্লোগান ঘিরে সিরাজগঞ্জ বিএনপিতে তৈরি হয়েছে সাংগঠনিক বিতর্ক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ওয়ার্ড পর্যায়ের এক নেতার কাছে তিন দিনের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা চেয়েছে জেলা বিএনপি।

ভেরিক্সা নিউজ, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশ: ৬:৪৬ এএম
সিরাজগঞ্জ শহর বিএনপির ১১ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি মো. মিন্টু শেখকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে জেলা বিএনপি। বৃহস্পতিবার একটি মানববন্ধনে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দেওয়ার পর এ সাংগঠনিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
ঘটনাটি ঘটে সিরাজগঞ্জ শহরের মতি সাহেবের ঘাট এলাকায় আয়োজিত একটি মানববন্ধনে।
সিরাজগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক আব্দুস সাত্তারের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে ওই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন মো. মিন্টু শেখ। বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ বলে স্লোগান দেন।
তার বক্তব্যের ভিডিও পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি ঘিরে আলোচনা শুরু হওয়ার পর বিষয়টি জেলা বিএনপির নজরে আসে।
দলীয় সূত্রের ভাষ্য, বিএনপির দায়িত্বশীল পদে থাকা একজন নেতার প্রকাশ্য কর্মসূচিতে এ ধরনের স্লোগান দেওয়ার বিষয়টি দলীয় শৃঙ্খলার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
এরপর মিন্টু শেখের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে লিখিত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়।
কারণ দর্শানোর নোটিশে জানতে চাওয়া হয়েছে, বিএনপির দায়িত্বশীল পদে থেকে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্লোগান দেওয়ার ঘটনায় কেন তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।
নোটিশ পাওয়ার পর তিন দিনের মধ্যে সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে লিখিত জবাব দিতে তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক তানভীর মাহমুদ পলাশ কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য রুমানা মাহমুদ এবং দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চুর অনুমোদনে নোটিশটি দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিন্টু শেখের রাজনৈতিক অতীত নিয়েও নানা আলোচনা দেখা গেলেও তিনি আগে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন—এমন কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
প্রকাশিত একাধিক প্রতিবেদনে তাকে সিরাজগঞ্জ শহর বা পৌর বিএনপির ১১ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি হিসেবেই উল্লেখ করা হয়েছে।
তার লিখিত জবাব পাওয়ার পর জেলা বিএনপি পরবর্তী সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেবে কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের তথ্য পাওয়া যায়নি।
ফটো গ্যালারি

ভেরিক্সা নিউজ ফলো করুন
সবার আগে খবর পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেল ফলো করুন।
ফেসবুক পেজের সর্বশেষ পোস্ট — স্ক্রল করে দেখুন। নতুন পোস্ট দিলে এখানে নিজে থেকেই আসবে।






