নেপালের হিমলুংয়ে তুষারধসে নিহত বেড়ে ১৫, এখনো নিখোঁজ ১
মিনহাজুল ইসলাম, সাব এডিটরপ্রতিবেদকের বৃত্তান্ত দেখুনপ্রকাশ: ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৪ পিএম
নেপালের মানাং জেলার হিমলুং হিমালের বেস ক্যাম্পে ভয়াবহ তুষারধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৫ জনে দাঁড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার ঘটনাস্থল থেকে আরও আটজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এখনো একজন কর্মী নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধারকারীরা চার মিটারেরও বেশি পুরু বরফ সরিয়ে তাঁবুর নিচে চাপা পড়া মরদেহের সন্ধান চালিয়েছেন।

ভেরিক্সা নিউজ আন্তর্জাতিক ডেস্ক
শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
নেপালের মানাং জেলার হিমলুং হিমালে ভয়াবহ তুষারধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৫ জনে দাঁড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার ঘটনাস্থল থেকে নতুন করে আটজনের মরদেহ উদ্ধারের পর মৃতের সংখ্যা বেড়ে যায়। এখনো একজন কর্মী নিখোঁজ রয়েছেন।
গত রোববার হিমলুং হিমালের বেস ক্যাম্পে তুষারধস আঘাত হানে। সে সময় নেপালি কর্মী ও গাইডরা বিদেশি পর্বতারোহীদের জন্য ক্যাম্প ও আরোহণের পথ প্রস্তুত করছিলেন।
৭ হাজার ১২৬ মিটার উচ্চতার এই পর্বতের বেস ক্যাম্পে তুষারধসের সময় বিদেশি পর্বতারোহীরা উপস্থিত ছিলেন না।
নেপাল ন্যাশনাল মাউন্টেন গাইড অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার উদ্ধারকারীরা ঘটনাস্থল থেকে আরও আটজনের মরদেহ উদ্ধার করেন।
এর আগে বিভিন্ন দিনে সাতজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ১৫ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে।
উদ্ধারকারী দল জানিয়েছে, বেস ক্যাম্পের তাঁবুগুলো চার মিটারেরও বেশি পুরু তুষারের নিচে চাপা পড়ে আছে। অভিজ্ঞ পর্বতারোহণ গাইডসহ ১১ সদস্যের একটি দল সেখানে উদ্ধারকাজ চালিয়েছে।
একজন কর্মী এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। দুর্ঘটনার পর কয়েকদিন পেরিয়ে যাওয়ায় তাকে জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা খুবই কম বলে জানিয়েছেন উদ্ধারসংশ্লিষ্টরা।
দুর্গম এলাকা, প্রতিকূল আবহাওয়া এবং গভীর তুষারের কারণে শুরু থেকেই উদ্ধার অভিযান কঠিন হয়ে পড়ে। হেলিকপ্টার প্রস্তুত রাখা হলেও খারাপ আবহাওয়ার কারণে কয়েক দফায় ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে সমস্যা হয়।
হিমলুংয়ের এই দুর্ঘটনাকে সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে নেপালের অন্যতম প্রাণঘাতী পর্বতারোহণ দুর্ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
২০১৪ সালে মাউন্ট এভারেস্টে তুষারধসে ১৬ জন নিহত হন। পরের বছর ২০১৫ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পে এভারেস্ট এলাকায় আরও ১৮ জন প্রাণ হারান।
বিশ্বের ১৪টি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের মধ্যে আটটির অবস্থান নেপালে। ফলে দেশটির পর্যটন ও অর্থনীতিতে পর্বতারোহণ এবং ট্রেকিংয়ের বড় ভূমিকা রয়েছে।
বিশেষ করে সাত হাজার মিটারের বেশি উচ্চতার পর্বতে আরোহণের প্রস্তুতি নেওয়া অভিযাত্রীদের কাছে হিমলুং একটি পরিচিত গন্তব্য।
সূত্র: আল জাজিরা, রয়টার্স, দ্য কাঠমান্ডু পোস্ট
ভেরিক্সা নিউজ ফলো করুন
সবার আগে খবর পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেল ফলো করুন।
ফেসবুক পেজের সর্বশেষ পোস্ট — স্ক্রল করে দেখুন। নতুন পোস্ট দিলে এখানে নিজে থেকেই আসবে।






