বেনাপোল সীমান্তে সার পাচার ও পুশ-ইন ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে বিজিবি
প্রকাশ: ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫২ পিএম
যশোরের বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে সার পাচার এবং ভারত থেকে অবৈধ পুশ-ইন ঠেকাতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। পাশাপাশি অবৈধ সীমান্ত চলাচল, মাদক, স্বর্ণ, গরু ও মানবপাচারসহ বিভিন্ন অপরাধ রোধে স্থানীয়দের সতর্ক ও সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছে ৪৯ বিজিবি।

ভেরিক্সা নিউজ বেনাপোল প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
যশোরের বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে সার পাচার এবং ভারত থেকে অবৈধভাবে কাউকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা ঠেকাতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
একই সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় অবৈধ চলাচল, চোরাচালান এবং অন্যান্য সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক করেছে যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি)।
বৃহস্পতিবার বেনাপোল আইসিপি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার মো. আব্দুল কাদের সীমান্তঘেঁষা এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে বিজিবির এই অবস্থানের কথা জানান।
তিনি বলেন, সীমান্ত দিয়ে সার পাচার কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।
একই সঙ্গে ভারত থেকে অবৈধভাবে কাউকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা হলে তা প্রতিহত করতে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে পুশ-ইনের চেষ্টা হতে পারে—এমন আশঙ্কায় সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
সীমান্তের ওপারে অবস্থানরত আত্মীয়স্বজন বা পরিচিতদের কাছ থেকে পুশ-ইনসংক্রান্ত কোনো তথ্য পাওয়া গেলে তা দ্রুত বিজিবিকে জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে স্থানীয়দের।
সার পাচার রোধেও সীমান্ত এলাকায় বিশেষ নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
কোনো ব্যক্তি বা সংঘবদ্ধ চক্র সার পাচারের সঙ্গে জড়িত—এমন তথ্য পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে বিজিবি বা অন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানাতে বলা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য বেশ কয়েকটি নির্দেশনাও দিয়েছে বিজিবি।
এর মধ্যে রয়েছে—অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ না করা, সীমান্তের শূন্যরেখা অতিক্রম না করা, সন্ধ্যার পর সীমান্ত এলাকায় অপ্রয়োজনে অবস্থান না করা এবং শূন্যরেখার কাছাকাছি গবাদিপশু না চরানো।
এছাড়া সীমান্তের ওপারের ভারতীয় জমি লিজ নিয়ে চাষাবাদ থেকেও বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছে বিজিবি।
সীমান্ত এলাকায় মাদক, স্বর্ণ, গরু ও মানবপাচারসহ সব ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে ৪৯ বিজিবি।
বিজিবি কর্মকর্তারা বলছেন, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শুধু বাহিনীর তৎপরতা নয়, স্থানীয় জনগণের সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সন্দেহজনক চলাচল, চোরাচালান বা পুশ-ইনের সম্ভাব্য তথ্য দ্রুত জানানো হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হবে।
বেনাপোল সীমান্তে তাই এখন দুইটি বিষয়কে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে—বাংলাদেশ থেকে সার পাচার ঠেকানো এবং ভারত থেকে অবৈধ পুশ-ইন প্রতিহত করা।
এর পাশাপাশি অন্যান্য সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধেও টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার রাখা হয়েছে।
ভেরিক্সা নিউজ ফলো করুন
সবার আগে খবর পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেল ফলো করুন।
ফেসবুক পেজের সর্বশেষ পোস্ট — স্ক্রল করে দেখুন। নতুন পোস্ট দিলে এখানে নিজে থেকেই আসবে।






