চীনের জে-১০সিই কিনতে এগোচ্ছে বাংলাদেশ, উদ্বিগ্ন ভারত?
প্রকাশ: ২৫ আগস্ট ২০২৬, ০৫:১৩ পিএম
চীনের তৈরি জে-১০সিই মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান কেনার প্রক্রিয়ায় উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়েছে বাংলাদেশ। এ বিষয়ে খসড়া চুক্তিপত্রও প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। সাম্প্রতিক ভারত-পাকিস্তান সংঘাতে জে-১০ যুদ্ধবিমানের পারফরম্যান্স এবং তুলনামূলক কম দাম বাংলাদেশের আগ্রহের অন্যতম কারণ হিসেবে তুলে ধরেছেন তিনি।

ভেরিক্সা নিউজ ডেস্ক
মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশ: ৫:১০ পিএম
চীনের তৈরি জে-১০সিই মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান কেনার প্রক্রিয়ায় উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়েছে বাংলাদেশ। এ বিষয়ে একটি খসড়া চুক্তিপত্রও প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
জাহেদ উর রহমান বলেন, সাম্প্রতিক বাস্তব যুদ্ধ পরিস্থিতিতে চীনের জে-১০ যুদ্ধবিমানের পারফরম্যান্স বাংলাদেশের নজর কেড়েছে।
ভারত-পাকিস্তানের সাম্প্রতিক সংঘাতের প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, ওই যুদ্ধে ভারতের রাফাল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার ঘটনায় চীনের জে-১০ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।
তার ভাষ্য, এই যুদ্ধক্ষেত্রের অভিজ্ঞতার পর বাংলাদেশ চীনের তৈরি জে-১০সিই মাল্টিরোল ফাইটারের দিকে মনোযোগ দিয়েছে এবং যুদ্ধবিমানটি কেনার প্রক্রিয়ায় ভালোভাবে এগিয়ে যাচ্ছে।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, রাফালকে ৪.৫ প্রজন্মের অন্যতম আধুনিক যুদ্ধবিমান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তার দাবি, বাস্তব যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জে-১০ এই শ্রেণির যুদ্ধবিমানের বিরুদ্ধে ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়েছে।
যুদ্ধবিমানের দামের প্রসঙ্গে জাহেদ উর রহমান বলেন, একই ধরনের সক্ষমতার ফরাসি রাফাল কিংবা ইউরোফাইটার টাইফুনের তুলনায় চীনের যুদ্ধবিমানগুলোর দাম তুলনামূলকভাবে অনেক কম।
তার বক্তব্য অনুযায়ী, যুদ্ধক্ষেত্রের সক্ষমতা ও তুলনামূলক কম দাম—দুই দিক বিবেচনায় জে-১০সিই বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি বিকল্প হয়ে উঠেছে।
জাহেদ উর রহমান আরও জানান, সম্ভাব্য যুদ্ধবিমান ক্রয়ের বিষয়ে ইতোমধ্যে খসড়া চুক্তিপত্র প্রস্তুত হয়েছে এবং সরকার এ প্রক্রিয়ায় এগোচ্ছে।
তবে সম্ভাব্য ক্রয়ের সংখ্যা, মোট মূল্য, সরবরাহের সময়সীমা কিংবা চূড়ান্ত চুক্তি কবে স্বাক্ষর হতে পারে—এসব বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।
বাংলাদেশের সম্ভাব্য জে-১০সিই সংগ্রহ দক্ষিণ এশিয়ার সামরিক সক্ষমতার আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। বিশেষ করে ভারত-পাকিস্তান সংঘাতে জে-১০ যুদ্ধবিমানের পারফরম্যান্স নিয়ে আলোচনার মধ্যেই বাংলাদেশের এই উদ্যোগ সামনে এসেছে।
তবে বাংলাদেশের সম্ভাব্য জে-১০সিই ক্রয় নিয়ে ভারতের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বেগ প্রকাশের কোনো তথ্য এ প্রতিবেদনে নেই। ফলে ভারত কতটা উদ্বিগ্ন—তা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত নয়।
ফটো গ্যালারি

ভেরিক্সা নিউজ ফলো করুন
সবার আগে খবর পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেল ফলো করুন।
ফেসবুক পেজের সর্বশেষ পোস্ট — স্ক্রল করে দেখুন। নতুন পোস্ট দিলে এখানে নিজে থেকেই আসবে।






