লাইভ
অপরাধ২ ঘণ্টা আগে

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় মেহেদী-শান্তাসহ ৬ জন কারাগারে

শাহবাগ থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় নতুনধারা বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মোমেন মেহেদী ও ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানাসহ ছয়জনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় মেহেদী-শান্তাসহ ৬ জন কারাগারে
শেয়ার করুন

বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬

রাজধানীর শাহবাগ থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় নতুনধারা বাংলাদেশের (এনডিবি) চেয়ারম্যান মোমেন মেহেদী ও তার স্ত্রী এবং সংগঠনটির ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানাসহ গ্রেপ্তার ছয়জনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

বুধবার বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীনের আদালত এ আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের ঢাকা মহানগর আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কারাগারে পাঠানো অন্য আসামিরা হলেন—নতুনধারা বাংলাদেশের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. নুরজাহান নীরা, যুগ্ম মহাসচিব মনিরুজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক আফতাব মণ্ডল এবং হরি সরকার।

এর আগে আসামিদের আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক মনিরুল ইসলাম। পরে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত চার আসামির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

শান্তা ফারজানা ও মোমেন মেহেদীর পক্ষে একাধিক আইনজীবী থাকায় ঢাকা আইনজীবী সমিতির সিদ্ধান্তের পর তাদের জামিন শুনানি অনুষ্ঠিত হবে বলে জানানো হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে কোনো রিমান্ড আবেদন না থাকায় তাদের মূল এজলাসে তোলা হয়নি।

জুলাইয়ে নিহত শহীদ জিসানের বাবা বাবুল শিকদার বাদী হয়ে মামলাটি করেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে তিনি ছয়জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করে শাহবাগ থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাত আনুমানিক ৭টার দিকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আসামিরা রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান দিয়ে একটি মিছিল বের করেন।

এ সময় উপস্থিত জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য এবং এসডিএএফের সদস্যসচিব আল নূর মোহাম্মদ আয়াসসহ অন্যরা মিছিলের প্রতিবাদ জানান। এর জেরে আসামিরা দেশীয় ধারালো অস্ত্র, লাঠিসোঁটা, এসএস পাইপ ও চেয়ার নিয়ে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালান বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, মামলার প্রধান আসামি শান্তা ফারজানা হত্যার উদ্দেশ্যে এসএস পাইপ দিয়ে আল নূর মোহাম্মদ আয়াসের মাথা, মুখমণ্ডল ও দুই হাতে আঘাত করেন। এতে তিনি রক্তাক্ত জখম হন।

ওই ঘটনায় জুলাইযোদ্ধা মহসিন, আশরাফুল, তাওহীদ এবং মামলার বাদী ও জুলাইয়ে নিহত শহীদ জিসানের বাবা বাবুল শিকদার আহত হন বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে স্থানীয় লোকজন আয়াসকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

মামলার এজাহারে বাবুল শিকদার আরও অভিযোগ করেন, শান্তা ফারজানা ও মোমেন মেহেদী এর আগে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বেআইনিভাবে প্রবেশ করে শেখ হাসিনাকে বৈধ এবং তারেক রহমানকে অবৈধ বলে মন্তব্য করেন।

এ ছাড়া তারা জুলাই আন্দোলনকে ‘জঙ্গি আন্দোলন’ হিসেবে আখ্যা দেওয়া এবং আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগও মামলার এজাহারে আনা হয়েছে।

মামলার এসব অভিযোগের বিষয়ে আসামিপক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। অভিযোগগুলো আদালতে বিচারাধীন এবং বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এগুলোর সত্যতা নির্ধারিত হবে।

ফটো গ্যালারি

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় মেহেদী-শান্তাসহ ৬ জন কারাগারে — 1
  • #ভেরিক্সা নিউজ
  • #Verixa News
  • #মোমেন মেহেদী
  • #শান্তা ফারজানা
  • #নতুনধারা বাংলাদেশ
  • #এনডিবি
  • #শাহবাগ থানা
  • #সন্ত্রাসবিরোধী আইন
  • #বাবুল শিকদার
  • #শহীদ জিসান
  • #জুলাই শহীদ পরিবার
  • #আল নূর মোহাম্মদ আয়াস
  • #ঢাকা আদালত
  • #জাতীয় প্রেস ক্লাব
শেয়ার করুন

ভেরিক্সা নিউজ ফলো করুন

সবার আগে খবর পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেল ফলো করুন।

ফেসবুক পেজের সর্বশেষ পোস্ট — স্ক্রল করে দেখুন। নতুন পোস্ট দিলে এখানে নিজে থেকেই আসবে।

সম্পর্কিত খবর

ভেরিক্সা নিউজ